মোটরসাইকেলের মামলা এড়াতে করণীয়


মোটরসাইকেলের মামলা এড়াতে করণীয়

যেসব কারণে মোটরসাইকেলের মামলা দেওয়া হয়

* তিনটা পেপারের যেকোনো একটি না থাকলে অবশ্যই মামলা হবে। যথা- রেজিস্ট্রেশন পেপার, ট্যাক্স টোকেন ও ড্রাইভিং লাইসেন্স। এগুলোর মধ্যে ট্যাক্স টোকেন ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের অবশ্যই মেয়াদ থাকতে হবে, না হলে মামলা হবে। তবে, রেজিস্ট্রেশন পেপারের মেয়াদ লাগে না (একনলেজমেন্ট স্লিপের মেয়াদ লাগে)।

* সেকেন্ড হ্যান্ড মোটরসাইকেল ক্রয়ের পর নাম ও মালিকানা পরিবর্তন না করা হলে মামলা হবে।

* লার্নার পেপার আছে কিন্তু পরীক্ষা, ছবি তোলা ও আঙ্গুলের ছাপ (ফিঙ্গার) না দেওয়া হলে মামলা হবে।

* মোটরসাইকেল চালানোর সময় চালক ও আরোহী উভয়ের হেলমেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক। দুজনের কেউ বা একজন হেলমেট ব্যবহার না করলে মামলা হবে।

* মোটরসাইকেল চালানোর সময় অবশ্যই ট্রাফিক/রোড সিগনাল মানতে হবে। নইলে মামলা হবে।

* উল্টো পথে মোটরসাইকেল চলাচল করলে মামলা হবে।

* যদি মোটরসাইকেলের ব্রেক লাইট না জ্বলে, ইন্ডিকেটর লাইট না থাকলে বা অকেজো হয়ে গেলে কিংবা রাতে হেড লাইট না জ্বালালে মামলা হবে।

* মোটরসাইকেল চালানোর সময় মোবাইলে কথা বললে অথবা নেশা করে চালালে মামলা হবে।

* অনুমতি ব্যতীত মোটরসাইকেলের কিছু পরিবর্তন করা, রঙ পরিবর্তন করলে, ভিআইপি হর্ন ব্যবহার, ফগ লাইট ব্যবহার, হ্যালোজেন লাইটের জায়গায় এলইডি হেডলাইট ব্যবহার করলে মামলা হবে।

* মোটরসাইকেলে দুজনের বেশি মানুষ থাকলে মামলা হবে।

* অবৈধভাবে মোটরসাইকেল পার্কিং করলে মামলা হবে।

* সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি করলে বা পুলিশের দায়িত্বে বাধা সৃষ্টির মতো কোনো কাজ করলে মামলা হবে।

* ফুটপথে মোটরসাইকেল চালালে মামলা হবে।

* লুকিং গ্লাস ও সেফটি গ্লাস না থাকলে মামলা হয়।

* লেফট লেনের সঠিক ব্যবহার না করলে মামলা হবে।

* স্টপেজ লাইন সঠিকভাবে না মানলে মামলা হবে।

* তারিখ অনুযায়ী আগের মামলা নিষ্পত্তি না করলে মামলা হবে।

ওপরের বিষয়গুলো মেনে চললে সহজে মামলা এড়ানো সম্ভব। সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ ও ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুসরণ করে এই গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে।